গত ১০ মার্চ রাতে হায়দরাবাদের (Hyderabad) হাবসিগুড়ায় ৪৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তি ও তাঁর ৩৫ বছর বয়সী স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তবে ওই ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রীর মৃতদেহ পৃথক ঘরে পাওয়া যায় এবং তাঁদের নাবালক সন্তানদেরও বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন-বিশ্বের ২০টি দূষিত শহরের মধ্যে ১৩টি ভারতের, দিল্লি সবচেয়ে দূষিত রাজধানী
পুলিশ সূত্রে খবর, হাবসিগুড়া এলাকার রবীন্দ্রনগর কলোনিতে তাঁদের বাড়ি। প্রতিবেশীদের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং তদন্ত শুরু করে। ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ স্টেশনের ইন্সপেক্টর জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই দম্পতি প্রথমে তাঁদের সন্তানদের শ্বাসরোধ করে খুন করার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তির লেখা একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। সেখানে লেখা রয়েছে, সে আর্থিক সমস্যা এবং বেশ কিছু স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগছিল। আপাতত মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য গান্ধী হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন-সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হলেন জয়মাল্য বাগচী, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর
মেহবুবনগর জেলার কালওয়াকুর্তি ব্লকের মুকুরাল্লা গ্রামের বাসিন্দা ওই পরিবার এক বছর আগে হাবসিগুদায় চলে আসে। ওই ব্যক্তি আগে একটি বেসরকারি কলেজে লেকচারার হিসেবে কাজ করতেন তবে গত ছয় মাস ধরে বেকার ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বেকারত্বের কারণে পরিবারটি মারাত্মক আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিল। সুইসাইড লেটারে ওই ব্যক্তি তাঁর ক্যারিয়ারের খারাপ অবস্থা ও স্বাস্থ্যের অবনতির জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেন।