প্রায় ২০০ কোটি ব্যায়ে ২১৩ ফুট উচ্চতার এই জগন্নাথ ধাম (Jagannath temple) ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের দিকে বর্তমানে গোটা রাজ্যের মানুষের নজর। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও আরো একাধিক বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত থাকবেন। তাদের যাতায়াতের কথা ভেবে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত হেলিপ্যাড তৈরীর কাজে নেমে পড়েছে প্রশাসন। বর্তমানে দিঘায় একটি স্থায়ী হেলিপ্যাড রয়েছে। সেটি ছাড়াও তার আশেপাশে আরো একাধিক হেলিপ্যাড তৈরি করা হবে উদ্বোধনের জন্য। ইতিমধ্যে সেই কাজে নেমে পড়েছে পূর্ত দপ্তর। স্থায়ী হেলীপ্যাডের পাশেই জেলা পুলিশের কর্তারা বেশ কয়েকটি মাঠ দেখেছে। সেখানেই অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হবে বেশ কয়েকটি হেলিপ্যাড।
প্রাথমিকভাবে নতুন তিনটি হেলিপ্যাড গড়ার কাজে নেমে পড়েছে পূর্ত দপ্তর। এছাড়াও জগন্নাথ মন্দির থেকে দু কিলোমিটার দূর থেকে একাধিক পার্কিং পয়েন্ট করা হচ্ছে। এছাড়াও জেলা পরিষদের অতিথিশালায় গড়া হয়েছে পুলিশ ক্যাম্প। সেখানে দুজন এএসআই ও ১১ জন কনস্টেবল নিযুক্ত করা হয়েছে। জগন্নাথ মন্দিরের সামনে নবনির্মিত স্নানের ঘাটও দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। পূর্ত দপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার জানিয়েছেন, হেলিপ্যাডের জন্য জেলা পুলিশের তরফ থেকে বেশ কয়েকটি মাঠ দেখা হয়েছে। সেগুলিতেই উদ্বোধনের দিনের জন্য অস্থায়ী হেলিপ্যাড গড়ার কথা রয়েছে।
দিঘা- শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসক অপূর্ব বিশ্বাস এই মর্মে জানান, “হেলিপ্যাড তৈরির দায়িত্বে রয়েছে পূর্ত দপ্তর। এছাড়াও উদ্বোধনের সময় পাবলিক হোল্ডিং পয়েন্টগুলিতেও পর্যাপ্ত জল, শৌচাগারের ব্যবস্থা রাখছি। ঐদিন যদি ক্যাপাসিটির বাইরে গাড়ি আসে তাহলে আমরা দিঘা গেটের বাইরে গাড়ি গুলিকে রাখার ব্যবস্থাও করেছি। এছাড়াও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ২৪ ঘন্টা সাফাই অভিযান চলবে।”