সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাসভবনে ছিল সমন্বয় বৈঠক। সেই বৈঠকে দক্ষিণবঙ্গের এক সাংসদ রাজ্য সভাপতি হিসেবে দিলিপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নাম বলতেই ক্ষেপে যান সুকান্ত শুভেন্দু। সাংসদদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে সুকান্তকে আরও একবছর সভাপতি রেখে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন দক্ষিণবঙ্গের আরেক সাংসদ।
বৈঠক শেষে সুকান্ত সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘‘মন্ত্রী হিসেবে দিল্লিতে একটা বড় বাড়ি পেয়েছি। তার সদ্ব্যবহার করছি। দিল্লিতে আপাতত এটাই বঙ্গ বিজেপির দফতর। এ বার থেকে প্রত্যেক অধিবেশনেই এক বার করে এখানে আমরা বাংলার সাংসদেরা বৈঠক করে নেব। সাংগঠনিক বিষয় নিয়েও সাংসদদের কাছ থেকে কিছু পরামর্শ উঠে এসেছে। পরবর্তী সাংগঠনিক বৈঠকে সে সব পরামর্শ নিয়ে আলোচনা হবে।’’
সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি জানান, ‘‘আপনারা যে ভাবে খুশি দেখতে পারেন। যে ভাবে আপনারা ভাবছেন, সে ভাবেও দেখতে পারেন। আবার বিদায় সংবর্ধনা হিসেবেও দেখতে পারেন। আমার কাছে দুটোই সমান।’’
এদিকে বৈঠকের আগে আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরেছেন শুভেন্দু। যা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছেন, রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষনেতা পরস্পরের সঙ্গে বৈঠকে বসে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে নিক। বছর ঘুরলেই বঙ্গে নির্বাচন। তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে সব পক্ষেরই। কোমর বেঁধেই মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। জনসংযোগের ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বিজেপি কতটা লড়াই দিতে পারবে সেই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।